অসহনীয় হাচি বা সর্দি হলে দ্রুত বন্ধের উপাই
দিনে দুই থেকে একবার হাচি তো সবার কমবেশি দিয়ে থাকেন। তবে শুধু ঠান্ডা লাগলে যে বেশি হাচি হয়ে থাকে তা কিন্তু নয়। বিভিন্ন কারণে হাঁচি হতে পারে। অনেকের ক্ষেত্রে দেখা যায় একের পর এক হাঁচি দিতে গিয়ে তারা অসুস্থ হয়ে পড়ে। এর কারণ কি।
ঘনঘন হাঁচি সাধারণত আ্যালার্জিক, রাইনাইটিস সাধারণত সর্দি, কাশি, এইসব ধুলোবালি ও ধোয়ার মতো পরিবেশগত উপাদানের কারনে নাকের ভেতরে অংশ Irritated বা সংকুচিত হওয়ার লক্ষন।এটি শরীর থেকে ক্ষতিকর উপাদান বের করে দেওয়ার একটি স্বাভাবিক প্রতিরক্ষা প্রক্রিয়া।
👉হাচি ও সর্দি থেকে সুস্থ হওয়ার উপাই।
১.প্রচুর পানি পান করুন শরীরে পানির ঘাটতি হলে সর্দি আরও ঘন হয়ে যায়। পর্যাপ্ত পানি, গরম পানি বা লেবু মিশ্রিত কুসুম গরম পানি পান করলে আরাম মিলতে পারে।
২. গরম ভাপ নিন গরম পানির ভাপ নিলে নাকের বন্ধভাব কমে এবং শ্বাস নিতে সুবিধা হয়।
৩. লবণ-পানি দিয়ে নাক পরিষ্কার করুন স্যালাইন ন্যাজাল স্প্রে বা লবণ-পানি দিয়ে নাক পরিষ্কার করলে জমে থাকা শ্লেষ্মা বের হয়ে আসে।
৪. পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন ভালো ঘুম ও বিশ্রাম শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং দ্রুত সুস্থ হতে সাহায্য করে।
৫. গরম স্যুপ বা চা পান করুন গরম চিকেন স্যুপ, আদা চা বা মধু-লেবুর গরম পানীয় গলা ও নাকের অস্বস্তি কমাতে সহায়ক হতে পারে।
৬. ধুলাবালি ও ধোঁয়া এড়িয়ে চলুন অ্যালার্জির কারণে হাঁচি হলে ধুলা, ধোঁয়া, তীব্র সুগন্ধি ও ধূমপান থেকে দূরে থাকুন।
৭.ঘরের বাতাস আর্দ্র রাখুন প্রয়োজনে হিউমিডিফায়ার ব্যবহার করলে শুষ্ক বাতাসের কারণে নাকের জ্বালাপোড়া কমতে পারে।
৮. প্রয়োজনে ওষুধ ব্যবহার করুন অ্যালার্জিজনিত হাঁচিতে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী অ্যান্টিহিস্টামিন এবং সর্দির ক্ষেত্রে উপযুক্ত ওষুধ ব্যবহার করা যেতে পারে। নিজে থেকে অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়া উচিত নয়।
🤔কখন চিকিৎসকের কাছে যাবেন।
>১০ দিনের বেশি সর্দি থাকলে
>১০১°F (৩৮.৩°C)-এর বেশি জ্বর হলে
>শ্বাসকষ্ট হলে
>বুকে ব্যথা হলে
>নাকের সর্দির সঙ্গে রক্ত বা তীব্র ব্যথা থাকলে

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url